ফড়িং মিডিয়া – অনলাইন ডেস্ক: পৃথিবীতে যদি ধর্ষণের ঘটনার ব্যাপারে কোন সমীক্ষা চালানো হয়, তাতে দেখা যাবে পুরুষরাই জোর করে নারীদের সম্ভ্রম হনন করছেন। সেই থেকে ধারণা করাই যায়, নারীদের চেয়ে পুরুষদের যৌনতার চাহিদা বেশি। কিন্তু সমাজের এই প্রচলিত ধারণাকেই পালটে দিল সাম্প্রতিক এক গবেষণা। যাতে উঠে এল সম্পূর্ণ উলটো তথ্য। ভাউচার কোডস প্রো নামে এক গবেষণা সংস্থার মতে, পুরুষদের তুলনায় নারীরাই বেশি যৌনতায় আগ্রহী।

বেসরকারি এই গবেষণা সংস্থার পক্ষ থেকে বেশ কয়েকজন পুরুষ ও নারীকে যৌন ইচ্ছে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। বেশ কয়েকদিন ধরে তাদের ব্যবহারও খুঁটিয়ে দেখা হয়। দেখা গিয়েছে, নারীদের মধ্যে শতকরা ৫৯ শতাংশেরই যৌন চাহিদা সঙ্গীর তুলনায় বেশি। যেখানে মাত্র ৪১ শতাংশ পুরুষদেরই বাড়তি যৌনতার চাহিদা রয়েছে।

এখানেই শেষ নয়। জানা গিয়েছে, শরীরের যৌন চাহিদা পূরণ না হওয়াই অনেক দম্পতির মধ্যে কলহের অন্যতম কারণ। গবেষকদের দাবি, প্রতি পাঁচ দম্পতির মধ্যে এক যুগলের মধ্যে এ কারণেই ঝামেলার সূত্রপাত হয়। যা পরবর্তীকালে বড় আকার নেয়। কেউ হীনমন্যতায় ভোগেন, কেউ মানসিক অবসাদের শিকার হন, কেউ আবার যৌন চাহিদা মেটাতে পরকীয়ায় মজে যান।

জানা গিয়েছে, যে সমস্ত নারী ও পুরুষ স্বীকার করেছেন তারা সঙ্গীর কাছ থেকে বাড়তি যৌনতা চান, তাদের মধ্যে শতকরা সাত শতাংশই পরকীয়ায় লিপ্ত। আবার তাদের মধ্যে ২৮ শতাংশ শরীরের চাহিদা মেটাতে সেক্স টয়ও ব্যবহার করে থাকেন। যৌনতা নিয়ে এমন তথ্য তারা প্রকাশ্যেই স্বীকারও করেছেন।

সূত্র: ডেকান ক্রনিকল