sadi-wdফড়িং মিডিয়া – অনলাইন ডেস্ক: শুধু কুমারী বিয়ে করতে হবে; বিধবা বিয়ে করা যাবে না। এটা ঠিক যে, হাদিসে কুমারী বিয়ে করার বিশেষ উৎসাহ এসেছে এবং এর যৌক্তিক কারণও বলা হয়েছে। এতে দ্রম্নত মুহাববত ভালোবাসা ও মনের মিল তৈরি হয়। প্রথম স্বামীর সান্নিধ্যে এসে অতি সহজেই স্বামীর সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নেয়। অল্পতে তুষ্ট যায়। তাছাড়া স্বামী তার প্রেমের ডোরে এমনভাবে বাধা পড়ে যে, দৃষ্টি অন্যদিকে যায় না; মাথায় আসে না কোনো বদখেয়াল। স্বামী যদি বিপত্নীক হয় বা বয়স্ক যুবতী স্ত্রীর সাথে তার তেমন মিল হয় না। এ ব্যাপারে ফুকাহায়ে কেরামের মতামত পিছনে চলে গেছে—অল্পবয়সী মেয়েদের বুড়োদের সাথে বিয়ে দেয়া ঠিক নয়। এদের উচিত বিধবাদের বিয়ে করা; তাতে উভয়ের মাঝে মিল-মুহাববত তৈরি হবে।

নবীযুগে বিধবা বিবাহ : খোদ নবীজীবনে পাওয়া যায় এর বাসত্মব দৃষ্টান্ত। তাঁর স্ত্রীদের একজন ছাড়া বাকি সকলেই ছিলেন বিধবা। নিজের মেয়ে যারা বিধবা হয়েছে তাঁদের বিয়ে দিয়েছেন। বড় বড় খলীফা ও সাহাবাগণের জীবনচরিত পাঠ করলে দেখা যায় তাঁরা বিধবাদের অনায়েসে বিয়ে করতেন। মহিলা সাহাবিদের জীবনীতে পাওয়া যায়, স্বামীর মুত্যুতে তাঁরা দু’তিন বিয়ে পর্যন্ত করতেন। এতে বোঝা গেলো, বিধবা বিয়েতে তেমন দোষের কিছু নেই। অন্যথায় নবীযুগে সাহাবিদের যুগে এতো বিধবা বিবাহ হতো না। এটা বরং সওয়াবের কাজ। শরিয়তের দৃষ্টিতেও বিশেষ পছন্দের।